Breaking News :

লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষিকাকে হত্যা

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ফাইরুজ পেলেন গোলকিপার্স অ্যাওয়ার্ড

নিউইয়র্ক পুলিশে কমান্ডিং অফিসার হলেন বাংলাদেশি খন্দকার আবদুল্লাহ

জয় নিশ্চিতের পর ধন্যবাদ জানাতে মেট্রো স্টেশনে ট্রুডো

মালয়েশিয়ায় আবেদনকারিরা কোম্পানিতেই করতে পারবেন বায়োমেট্রিক

কানাডায় জাতীয় পতাকা উড়িয়ে তিন বাংলাদেশির ম্যারাথন দৌড়

ফোবানা কনভেনশনের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে

স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের যুবক খুন

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে টরন্টোয় চতুর্থ মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কুয়েত বিমানবন্দরে আগত যাত্রী সংখ্যা বাড়ানোর আহবান

September 24, 2021

নিউ ইয়র্কে এমএলএম ব্যবসার ফাঁদে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

Vinkmag ad

বাংলাদেশে ডেসটিনি, ইউনিপে টু, এইম ওয়ে সহ বিভিন্ন ধরনের মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসায় জড়িত শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিরা নিউ ইয়র্কে ব্যবসার নামে প্রতারণার ফাঁদ ফেলেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উচ্চ মুনাফা ও রাতারাতি হাজার হাজার ডলারের লোভে অনেকেই প্রলোভনে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অর্থনৈতিক ক্ষতি সামাল দিতে না পেরে পারিবারিক বিচ্ছেদের মতো ঘটনা ঘটছে। কমিউনিটিতে জেনাস গ্লোবালের প্রতারণার শিকার সবচেয়ে বেশি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, কমিউনিটি নেতা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন লোকদের টার্গেট করছে কোম্পানিগুলো। ব্যবসা শুরুর প্রথম কিছু দিন সব ঠিকঠাক চললেও কোম্পানির ‘ডান হাত বাম হাত ’ সার্কেলে যখন আর লোক বাড়ে না তখনই দেখা দিচ্ছে বিপত্তি। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার দিলে প্রথম ব্যক্তি সেখান থেকে কমিশন পান। কোম্পানি থেকে ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয় তা সাধারণত ঘরে পড়ে থাকে। কমিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন হারবাল কিংবা ভেষজ ওষুধ বিক্রি করা হয়ে থাকে। এছাড়াও শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করে অপ্রচলিত এমন চাইনিজ ইলেক্ট্রনিকসের যন্ত্রপাতিও এমএলএম পদ্ধতিতে বিক্রি করা হয়। বিদ্যুতের কপি সার্ভিসসহ নানা কিছুও রয়েছে।

টার্গেটকৃত এসব লোক তাদের পরিবারের সদস্য, আত্মীয় কিংবা নিকটস্থদের এ ব্যবসায় জড়িয়েছেন। প্রথম কিছু দিন ঠিকঠাক থাকলেও যারা পরের দিকে যোগ দিচ্ছেন তারা কোনো কমিশনই পাচ্ছেন না বা কিছু দিন পর নানা কারণে ঝরে পড়ছেন। এছাড়া শুরুর দিকে যারা যোগ দিচ্ছেন এবং সার্কেল আর না বাড়ায় তারাও আটকে আছেন একই স্থানে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে গোলযোগ। সৃষ্টি হচ্ছে পারিবারিক ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা। মাঝখান দিয়ে একটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ। এ ক্ষেত্রে যার মাধ্যমে কোম্পানিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি কিছু কমিশন পেলেও বাকিটা চলে যাচ্ছে কোম্পানির হাতে। মূলত এ মধ্যসত্ত্বভোগীদের কারণে কমিউনিটির অনেক মানুষ সর্বশান্ত হচ্ছেন।

 

 

 

সুত্রঃ ইত্তেফাক।

 

Read Previous

সিডনিতে করোনায় আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

Read Next

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল জজ হলেন বাংলাদেশি নূসরাত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *